হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বুধবার :: ২৪.০১.২০১৮
জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় অত্র বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মঈনুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ইবরাহিম, সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মুর্শেদ, অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীরা। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রভাতী ও দিবা শাখার ৫ ফিট ৩ ইঞ্চির উর্দ্ধের শিক্ষার্থীরা ক গ্রুপে, ৪ ফিট ৯ ইঞ্চি হতে ৫ ফিট ৩ ইঞ্চি পযর্ন্ত শিক্ষার্থীরা খ গ্রুপে এবং ৪ ফিট ৯ ইঞ্চির নিচের শিক্ষার্থীরা গ গ্রুপে অংশগ্রহন করে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল দৌড় (১০০, ২০০, ৪০০, ১৫০০ মিটার), দীর্ঘ লাফ, উচ্চ লাফ, লাফ-ধাপ-ঝাপ, চাকতি নিক্ষেপ, লৌহ গোলক নিক্ষেপ, অঙ্ক দৌড়, বিস্কুট দৌড়, ব্যাঙ দৌড়, মোরগ লড়াই, যেমন খুশি তেমন সাজ। অন্যদিকে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল কিরাত, হামদ নাত, কবিতা(বাংলা), কবিতা (ইংরেজি), রচনা (বাংলা), উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক (বাংলা), বিতর্ক (ইংরেজি), ধারাবাহিক গল্প বলা, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, দেশাত্ববোধক গান, লোক সংগীত, একক অভিনয়, কৌতুক, চিত্রাঙ্কন। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। পুরস্কার বিতরণের পূর্বে বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোহাঃ ইবরাহিম বলেন, এই প্রতিযোগিতা ছাত্রদের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ায় আসল কথা নয়। এখানে অংশগ্রহণই মুখ্য। ব্যর্থতার মধ্য দিয়েই সফরতা নির্ভও করে। সামনের দিনগুলোতে কিভাবে আরও বেশি সফল হওয়া যায়, সে চেষ্টাই করতে হবে। সাথে সাথে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধেও চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। দেশের স্বাধীনতা কিভাবে এসেছে, কত ত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি তা সর্বদায় মনে রাখতে হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান বলেন, হরিমোহন স্কুল এই অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের সেরা স্কুল। আমি মনে করি, এই স্কুল জেলার সেরা হওয়া স্বত্বেও, সবদিকে আরও ভাল করার সুযোগ রয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানের জিপিএ-র সংখ্যার উপরই সাফল্য নির্ভর করে না। তাই সহপাঠ কার্যক্রমগুলো সহপাঠ না রেখে, এগুলোকে তাদেও পাঠ কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আমরা চাই এখান থেকে আরও বেশি শিক্ষার্থী গণিত, পদার্থ, জীববিদ্যা ইত্যাদি প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে এবং আর্ন্তজাতিক পর্যায়েও এই সাফল্য বজায় রাখবে। শিক্ষকদেও উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের উচিত হবে ক্লাসে আরও বেশি মনযোগী হওয়ার পাশাপাশি, সহপাঠ কার্যক্রমে আরও বেশি আগ্রহী হওয়া।

Check Also

জেলাশহরে গাড়িতে করে ন্যায্যমূল্যে মুরগি ডিম ও দুধ বিক্রি শুরু

১২ এপ্রিল সোমবার, ২০২১। করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ভ্যান ও ট্রাকে …