বরেন্দ্র অঞ্চলে মানুষের খরা-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে ১৮ এনজিও’র সাথে পিকেএসএফ-এর চুক্তি

বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে খরা-পীড়িত জনগোষ্ঠীর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবেলায় সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) Extended Community Climate Change Project- Drought (ECCCP- Drought) শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এতে সহ-অর্থায়ন করছে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)।

আজ, পিকেএসএফ ভবনে মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৮টি বেসরকারি সংস্থার সাথে প্রকল্প বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষর এবং প্রকল্প ফোকাল পার্সনদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার এনডিসি, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফজলে রাব্বি ছাদেক আহমাদ এবং মহাব্যবস্থাপক (পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন) ড. এ.কে.এম. নুরুজ্জামান।

প্রকল্পটি বরেন্দ্র অঞ্চলভুক্ত নওগাঁ, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পে প্রস্তাবিত প্রধান কার্যক্রমগুলো হলো বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, ‘ম্যানেজ্‌ড এ্যাকুইফার রিচার্জ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা, পুকুর ও খাল পুনর্খনন এবং পুকুরভিত্তিক ভূ-গর্ভস্থ পানি পুন:ভরণ করা। এছাড়া, প্রকল্পের আওতায় খরা-অভিযোজনক্ষম ফসল বিন্যাস এবং ফলজ/বনজ বৃক্ষরোপণ করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠিকতা শেষে ড. নমিতা হালদার এনডিসি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এ বিপন্নতা রোধকল্পে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মকৌশল ও নীতিমালা প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবায়ন করছে। পিকেএসএফ এ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকা দরিদ্র ও অতিদরিদ্র, বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

পিকেএসএফ-এর এ প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো হলো ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও), টিএমএসএস, গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক), এসকেএস ফাউন্ডেশন, ঘাসফুল, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, মৌসুমী, জয়পুরহাট রুরাল ডেভেলপমেন্ট মুভমেন্ট (জআরডিএম), দাবি মৌলিক উন্নয়ন সংস্থা, ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি), প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি, সোসাইটি ফর সোসাল সার্ভিস (এসএসএস), রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক), শতফুল বাংলাদেশ, ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক), জাকস ফাউন্ডেশন, শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা এবং আরডিআরএস বাংলাদেশ।

Scroll to Top