তথ্য অধিকার আইনের এক দশক’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা

০৪.০২.২০২০, শনিবার।

তথ্য অধিকার আইনের দশক পূর্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/ বিভাগের সিনিয়র সচিব/ সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা প্রধানগণের সাথে ‘তথ্য অধিকার আইনের এক দশক’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অফিসার্স ক্লাব ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান তথ্য কমিশনার জনাব মরতুজা আহমদের সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি যেটি ২০২১ সালে ফাইনাল রিভিউ হবে। তবে আমাদের এটা ২০২০ সালের মধ্যে হয়ে যাবে, তবে তাঁরা ৩ বছর এটা পর্যবেক্ষণ করবে এবং ইইউ ২০২৭ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করবে। এই গ্র্যাজুয়েশন, পার্সপেকটিভ প্ল্যান ২০৩০ এবং ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের ট্রেডিশনাল মনমানসিকতা হতে বের হয়ে এসে আমাদের ওপেন-আপ হতে হবে এবং এই তিনটি বিষয় অর্জনের জন্য আমাদের তথ্যের আদান-প্রদান করতে হবে। সভায় প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ বলেন, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন একটি যুগান্তকারী ঘটনা। তিনি তথ্য অধিকার আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উল্লেখ করে অর্জিত সাফল্য ও বর্তমান অবস্থার একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন। একইসাথে এই আইনের ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে এর সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সকলের নিকট প্রত্যাশিত বিষয়সমূহ ব্যক্ত করেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্য কমিশনার জনাব সুরাইয়া বেগম এনডিসি। তিনি বলেন, ২০৪১ সালে আমাদের উন্নত দেশে উন্নীত হবার কথা। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলেই হবে না বরং জাতি গঠনে মন মানসিকতা তথা নৈতিক উন্নয়নসহ সামগ্রিক উন্নয়ন করতে হবে। তার জন্য তথ্য অধিকার আইনের শতভাগ বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। কারণ তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়িত হলেই সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটবে, প্রতিষ্ঠিত হবে সুশাসন। তথ্য কমিশনার জনাব আবদুল মালেক বলেন, তথ্য কমিশনার জনাব আবদুল মালেক বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত, দুর্নীতি হ্রাস এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এই আইন পাস করে যা অত্যন্ত কার্যকর ও জনবান্ধব একটি আইন। বর্র্তমানে এই আইনের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে এবং জনগণ এর সুফল পাচ্ছে। এছাড়া সভায় বক্তব্য রাখেন তথ্য সচিব জনাব কামরুন নাহার। দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব মো: শাহ্ কামাল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম পিএএ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ আবদুল হালিম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো: আখতার হোসেন, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব রওনক মাহমুদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব মোঃ মাহবুব হোসেন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমীর রেক্টর বেগম বদরুন নেছা, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: আবদুল মান্নান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোহাম্মদ জয়নুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব জনাব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জনাব আহমেদ জামান, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক জনাব কে.এম. আব্দুস সালাম, প্রধান তথ্য অফিসার জনাব সুরথ কুমার সরকার, তথ্য কমিশনের সচিব জনাব মোঃ তৌফিকুল আলমসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Check Also

জেলাশহরে গাড়িতে করে ন্যায্যমূল্যে মুরগি ডিম ও দুধ বিক্রি শুরু

১২ এপ্রিল সোমবার, ২০২১। করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ভ্যান ও ট্রাকে …