চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৪ মাসে ৮৩টি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি সাড়ে ৩৬ লাখ টাকার ক্ষতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় গত ১৪ মাসে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩৬ লাখ ৬২ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সময়ে উদ্ধার বা সম্পদ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৯০ হাজার টাকার।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বাৎসরিক ও মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটি সূত্রে জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে ৭টি অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অপরদিকে উদ্ধার বা সম্পদ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে আনুমানিক ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকার। অপরদিকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আনুমানিক ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অপরদিকে উদ্ধার বা সম্পদ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে আনুমানিক ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার।
গত বছরে মোট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ৬৯টি। এসব ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৩১ লাখ ৪০ হাজার টাকার। এসব ঘটনায় আনুমানিক ১ কোটি ১০ লাখ ৬০ হাজার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
২০২৩ সালের ৬৯টি অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে ইলেকট্রিক, গ্যাসের ও মাটির চুলা থেকে ৬টি, বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে ১৯টি, বিড়ি ও সিগারেটের জ¦লন্ত টুকরা থেকে ২০টি, উত্তপ্ত ছাই বা জ্বালানি থেকে ৮টি, শিশুদের আগুন নিয়ে খেলা থেকে ১১টি এবং অন্যান্য কারণে ৫টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা রয়েছে।
এদিকে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নতুন হাট মোল্লাপাড়ায় বাবু মিয়া ও আনোয়ার হোসেন নামে দুজনের মুদি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ঘটা এই অগ্নিকা-ে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সূত্রটি জানিয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সূত্রটি আরো জানান, অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আমাদের উদ্ধারকারী টিম ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তবে অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে জনসাধারণকে সচেতন হতে হবে। শিশুদের আগুন নিয়ে খেলা করতে দেয়া যাবে না, বিড়ি সিগারেটের টুকরো যেখানে সেখানে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক সুইচগুলো মাঝে মধ্যে দক্ষ লোক দিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে।

Scroll to Top