৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ১৭ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | শনিবার | বিকাল ৩:৫৪ | বর্ষাকাল
সর্বশেষ সংবাদ
Bangla Font Problem?

চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবতীকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ৫ জনের ফাঁসি

বৃহস্পতিবার :: ১৮.০৪.২০১৯।

মিথ্যে পরিচয়ে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের প্রলোভনে বাড়ি থেকে বের করে এনে আয়েশা খাতুন নামে এক যুবতীতে পালাক্রমে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঁচজনকে ফাঁসি’র আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেইসাথে প্রত্যেককে ১ লক্ষ টাকা করে অর্থদন্ড দেয়া হয়েছে। একই মামলার অপর ধারায় ওই পাঁচজনের প্রত্যেককে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড, দশ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দন্ডিতরা হলেন, সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা (মালবাগডাঙ্গা) গ্রামের শ্যামাপদ রবিদাসের ছেলে নয়ন কর্মকার রবিদাস, চাকপাড়া গ্রামের রতন রবিদাসের ছেলে নিতাই চন্দ্র রবিদাস ,একই গ্রামের মৃত. সুচন দাসের ছেলে সুভাষ দাস, খোকন রবিদাসের ছেলে প্রশান্ত রবিদাস ও চরবাগডাঙ্গা সোনাপট্টি গ্রামের বীরেন দাসের ছেলে প্রশান্ত রবিদাস। নিহত আয়েশা সদর উপজেলার কালিনগর বাবলাবোনা গ্রামের মফিজুল ইসলামের মেয়ে। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক শওকত আলী আসামী নয়ন কর্মকার রবিদাস ও বীরেন দাসের ছেলে প্রশান্ত রবিদাসের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। এসময় দন্তিত অপর তিনজন পলাতক ছিলেন। মামলণায় তিনজনের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমানিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
মামলার নথি সূত্রে ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (অতি.পিপি) আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, দন্ডিত নয়ন রবিদাস মুসলমান যুবকের মিথ্যে পরিচয়ে মোবাইল ফোনে আয়েশার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০১৫ সালের ১১’জুন আয়েশা দর্জির কাজ শিখতে বাড়ি থেকে মামা বাড়ি যায়। দুদিন পর ১৩’জুন বিকেল পর্য়ন্ত তাকে মামার বাড়িতে দেখা গেছে। এরপর সেখান হতে সে নিখোঁজ হয় ।তাকে বিয়ের প্রলোভনে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ওই দিন রাতেই ধর্ষনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে দন্ডিত পাঁচজন। পরদিন ১৪জুন সকালে সদর উপজেলার মহারাজপুর মেলা মোড় এলাকার এটি ডোবা থেকে আয়েশার মরদেহ উদ্ধার হয়। ওই বছরের ৯’আগষ্ট ময়নাতদন্ত প্রতিবদেন পাবার পর সদর থানার উপপরিদর্শক(এসআই) শামীম আখতার বাদী হয়ে ওইদিনই থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তৎকালীন সদর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) সরোয়ার রহমান ওই বছরের ১৪’ডিসেম্বর ৮জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্যশীট দাখিল করেন। ১৪ জনের সাক্ষ্য,প্রমাণ ও শুনানী শেষে আদালত বৃহস্পতিবার পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করে দন্ড দেন। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আ্যাড.আব্দুর রহমান।

মন্তব্য দেয়া বন্ধ রয়েছে।

একদম উপরে যান