৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ১৭ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | শনিবার | বিকাল ৩:৩০ | বর্ষাকাল
সর্বশেষ সংবাদ
Bangla Font Problem?

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

বুধবার :: ১৭.০৪.২০১৯।

“ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা শীর্ষক” আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নূরুল হক। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার টিএম মোজাহিদুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক এ.কে.এম তাজকির-উজ-জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দেবেন্দ্রনাথ উরাঁও, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. এস এফ এম খাইরুল আতাতুর্ক, জেলা কালচারাল অফিসার ফারুকুর রহমান ফয়সাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা মনিম-উদ-দ্দৌলা চৌধুরী, জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, পাঁচ উপজেলার মেয়র, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ অন্যান্যরা। এসময় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম নূরুল হক ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ও স্বাধীনতার ইতিহাসের কিছু অংশ তুলে ধরে সম্পর্কে বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারপর জাতীয় নেতা তাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে তারা কলকাতায় গেলেন, ওখানে তারা ভারতীয় সরকারের সহযোগীতায় ও বিএসএফএস বাহিনীর সহযোগীতায় তারা দিল্লীতে গিয়েছিলেন। দিল্লীতে যাওয়ার পর তারা সুযোগ পেয়েছেন যে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ করার। সেখানে দীর্ঘ আলোচনা হয়। কিন্তু এক পর্যায়ে ইন্দিরা গান্ধী বলেছিলেন, আপনাদের বৈধতা কি, আপনাদের কোন পদ-পদবী নাই। তখন তারা ঐখানে বসেই একটা সরকার গঠন করলেন। যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমার রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দিন আহমেন হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে জানতে হলে, মহান মক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমাদের সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করতে হলে সকল দিবস, সকল ইতিহাস সম্পর্কে সবার আগে আমাদেরকে সঠিকভাবে জানতে হবে। উল্লেখ্য, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে “ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা শীর্ষক” রচনা প্রতিযেগিতায় অংশগ্রহনকারীদের মধ্য থেকে, ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।

মন্তব্য দেয়া বন্ধ রয়েছে।

একদম উপরে যান